বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে রামচন্দ্র যখন অযোধ্যায় প্রবেশ করছে, মুশরিকরা যখন এটা নিয়ে বিজয়োল্লাসে মেতেছে; তখন আমরা ট্রান্(স) তাড়িয়ে, ব্র্যাক বিকাশ বয়কট করে কূল পাচ্ছিনা।
.
রাসূলুল্ল-হ্ সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং খোলাফায়ে রাশিদীনের রেখে যাওয়া রাজত্ব রেখে কুত্তা সামলাতে হচ্ছে।
.
যে মিনার থেকে একত্ববাদের আওয়াজ আসতো, সেখান হতে আজ শিরকের ঘন্টা ধ্বনিত হবে, এটা কতটা লজ্জার তার পরিমাপ হয়না।
.
মসজিদের মিনার থেকে মন্দিরের ঘন্টা শুনে এখনো কোন মুসলিম শাসক সেনাপতি জেগে উঠেনি, বুঝতে হবে উম্মাহ্ আজ এতিম। অভিভাবকহীন।
.
আল্লাহর কাছে আশা তো রাখি, আবার মাহমুদ গজনবী আসবেন। আসবেন সালাহউদ্দীন।
.
বাবরি আমাদের কাছে মসজিদই রয়ে যাবে। অপেক্ষা শুধু মক্কার মত একটা বিজয়ের। তারপর আল্লাহর ঘর থেকে মূর্তিগুলো এক এক করে বিদূরিত করা হবে।
.
ইতিহাস সাক্ষী, সেই উহুদ থেকে শুরু। হাতছাড়া হবার পরও আমরা বারবার ফিরে এসেছি। ফিরেছিলাম আকসায়, ফিরেছি আয়া সোফিয়ায়। এখানেও ফিরবো ইন শা আল্ল-হ্! বি ইযনিল্লা-হ্!
.
আল্ল-হু আকবার বলে আবার সিজদা হবে। ধূলিমলিন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত এক জামাতের সিজদাতুশ শুকুর।
স্মৃতি হিসাবে রেখে দিলাম,
আমাদের দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের কাছে এই মসজিদের বিষয়ে বিস্তারিত বলে দেয়া
06/12/1992
22/01/2024
এই দুইটি দিন আমরা ভুলতে পারবো না