কুকুর এবং সর্পদংশনে মৃত্যুর সংখ্যা

 

কুকুরের কারণে সারাবিশ্বে প্রতিবছর অন্তত ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) মানুষ মারা যায়। কুকুরের আক্রমণ এবং সরাসরি র‍্যাবিস ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়ার ফলে এই মৃত্যু ঘটে। র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণে সঠিক সময়ে চিকিৎসা করাতে না পারলে জলাতঙ্ক রোগের কারণে মৃত্যু নিশ্চিত। এই ভাইরাস মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে এবং মস্তিষ্ক সংক্রমিত হয়ে ভয়াবহ মৃত্যুর দিকে মানুষকে ঠেলে দেয়।

অপরদিকে সাপের কামড়ে সারাবিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১,০০,০০০ (এক লাখ) মানুষ মারা যায়। মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী প্রাণীদের তালিকায় সাপ এবং কুকুরের স্থান ক্রমান্বয়ে তৃতীয় এবং চতুর্থ।

সর্পদংশনে মৃত্যুর সংখ্যা এতো বেশি হবার মূল কারণ অপচিকিৎসা এবং সময় মতো যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত না করা। কুকুরের কামড়ে যথা সময়ে চিকিৎসা না করালে যেমন র‍্যাবিস সংক্রমণে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে তেমনই বিষধর সর্পদংশনে সঠিক সময়ে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা না করালে বিষ্ক্রিয়ায় মৃত্যু হতে পারে। আমাদের সচেতনতা এবং সাবধানতাই পারে আমাদের জীবন বাঁচাতে।

কুকুরের কামড়ে আমরা হাসপাতালে গেলে সাপের কামড়ে আমরা ওঝার কাছে কেন যাবো?

ব্যক্তি অসচেতনতা এবং ওঝার অপচিকিৎসায় মৃত্যুর দায় সাপের না মানুষের?

কুকুর হত্যা অমানবিক মনে হলে সাপ হত্যা কোন প্রসঙ্গে মানবীয় বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিধিত্ব করে তা আপনাদের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন