কোরআনের আশ্চর্য



 পবিত্র কোরআনে মোট ২০ টি আয়াতে আরশ কথাটি আছে। সেসব আয়াতে বর্ননা পাওয়া যায়, আল্লাহ আরশে সমাসীন হয়েছেন, আল্লাহ আরশের মালিক, ইত্যাদি। প্রশ্নে বর্ণিত "আরশ সাত আসমানের উপর" কথাটি কোরআনে নেই।

তবে, "আকাশ" ব্যাপারে আপনার কথাটি সঠিক। আকাশ বলতে কিছু নেই ; সবই ফাঁকা। আপনি তো জানেন, আকাশ বলে কিছু নেই। তাহলে, নিচের এই কথাগুলো আপনি কিভাবে বলেন বা কিভাবে লেখেন?

আকাশে মেঘ জমা হয়েছে <←—-> নীল আকাশের নীচে <←—-> আকাশে চাঁদ উঠেছে <←—-> মেঘলা আকাশ দেখে যাত্রা বাতিল হলো <←—-> আকাশে অগনিত তারা দেখা যায় <←—-> পাখি আকাশে উড়ে

আপনি জানেনে আকাশ বলে কিছু নেই। আপনি জানেন সবই ফাঁকা। তবুও আপনি আজীবন বইপত্রে "আকাশ" কথাটি পড়েছেন। আজীবন "আকাশ" কথাটি লিখেছেন। আপনি যত মানুষকে চিনেন, সবাই আপনাকে আকাশ কথাটি বলে। আপনি কোনদিন কাউকে বলেন নি ; আকাশ বলছো কেন? আকাশ বলে কিছু নেই। স্কুল কলেজের সকল বইপত্রে দেখে, জীবনে কোনদিন জিজ্ঞাসা করেন নি - এখানে আকাশ লিখেছে কেন?

কিন্তু কোরআনে "আকাশ" কথাটি লেখা ; সেটা মেনে নিতে পারছেন না।

এমন স্বভাবকে ইংরেজীতে বলে hypocrite ; বাংলায় বলে ভন্ড। আর, আরবীতে বলে - (منافق) মুনাফিক

শিশুদের ক্ষেত্রে একটি ঘটনা বারবার ঘটে। কয়েক মাস আগে কেনা জামা, আর গায়ে ঢোকে না। আপনি বলেন - জামা ছোট হয়ে গেছে। অন্যরা বলে জামা ছোট হয়ে গেছে। এমন ঘটোনাতে সবাই বলে - জামা ছোট হয়ে গেছে।

আপনি জানেন, জামা কখনো ছোট হয় না- মানুষের দেহ বড় হয়। বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে প্রায় ২৭ কোটি মানুষ বাংলায় বলে। এই ২৭ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র একজন মানুষ খুজে বের করুন, যে "জামা ছোট হয়েছে" কথাটি না বলে, "দেহ বড় হয়েছে" বলে।

কেউই "দেহ বড় হয়েছে" বলে না। কারন সবাই জানে ; "জামা ছোট হয়েছে" কথাটির আসল অর্থ - দেহ বড় হবার কারনে, জামাটি ছোট লাগছে।

  • এবং আকাশের দিকে (দেখ) যে, কিভাবে ওটাকে উর্ধে স্থাপন করা হয়েছে (সুরা গশিয়াহ - ১৮)

ঠিক তেমনই, "আল্লাহ আকাশকে স্থাপন করেহেন", কথাটির অর্থ হলো - আল্লাহ এমন একটি কায়দা করে রেখেছেন, যাতে ফাঁকা যায়গাতেও একটা আবরন বা ছাদের মতন দেখায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন