ভারতের গুজরাটের কসাই খ্যাত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভেবেছিল লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমন করে দুই তিনটা ছবি টুইট করে দিলে মালদ্বীপের সরকার ভয় পেয়ে যাবে।কিন্তু ঘটনা ঘটছে উল্টা মালদ্বীপ ভয় পাওয়া ত দূর সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করেছেন ও ২০ টি দিপাক্ষিক চুক্তি সই করেন।
অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রপতি সি বলেছেন, মালদ্বীপের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চীন সহায়তা করবে।সি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে বলেন, ‘নতুন পরিস্থিতিতে চীন-মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অতীতের অর্জনগুলোকে নতুন করে গড়ে তোলার ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে।চীনা প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘মালদ্বীপের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে সহায়তা দিতে ভূমিকা রাখবে চীন।’
এরপরই মালদ্বীপের পথে যাত্রা শুরু করেছে চীনের “গোয়েন্দা” জাহাজ ইয়াং হং ৩।
এই পদক্ষেপ ভারতের জন্য নতুন চিন্তার উদ্রেক করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত মনে করে, গবেষণা জাহাজের কথা বললেও এটি আসলে চীনের একটি “গোয়েন্দা” জাহাজ।
এই গোয়েন্দা জাহাজ ভারতের যে ক্ষতি করবে:
- মালদ্বীপের ভারত মহাসাগরের একটি দেশ যা ভারতের নিকটে অবস্থিত।সেখানে থেকে চীনের গোয়েন্দা জাহাজ সাগরের তলদেশের মানচিত্র তৈরি করবে যা ভারতীয় সাবমেরিনের জন্য ঝুঁকির কারন হতে পারে।
- এই জাহাজ দিয়ে চীনা নৌবাহিনী দক্ষিণ ভারতে থাকা ভারতের পরমাণু স্থাপনা, মিসাইল ও রকেট লাঞ্চিং প্যাডের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।এছাড়া চীন এই জাহাজের মাধ্যমে ভারতের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা স্থাপনা উন্মোচিত হয়ে যাবে।
নরেন্দ্র মোদি ধীরে ধীরে উপমহাদেশের রাজনীতিতে জোকারে পরিনত হচ্ছে।মালদ্বীপের মত ছোট রাষ্ট্রের ভারতকে এত বড় বাঁশ দিয়ে দিল আর বিজেপির নেতারা অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন দেখে।
কিন্তু ভারত সবচেয়ে বড় মাইর খাবে যেদিন বাংলাদেশে ভারত বিরোধী সরকার আসবে।কারন চীন যখন তাদের গোয়েন্দা জাহাজ মংলা বন্দর থেকে শ্রীলংকান হামবানটোটা বন্দরে নিয়ে যাবে সেদিন ভারত মাতার শাড়ীর নিচের সবকিছুর তথ্য লম্পট চীনা ড্রাগনের হাতে চলে যাবে।মানে বিশাখাপটনম হল ভারতীয় নৌবাহিনীর মূল ঘাঁটি যদিও হামবানটোটা থেকে চীন সেখানের ম্যাপ পেয়েছে কিন্তু যখন মংলা থেকে চীনা গোয়েন্দা জাহাজ হামবানটোটাতে যাবে ভারতের নৌবাহিনীর আর গোপন অবশিষ্ট কিছু থাকবে না।