কুরআনে যে দুই মসজিদের নাম এসেছে, এটি তার একটি।
এটি পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় মসজিদ।
এটি কুরআনে বর্ণিত (আরযে মুকাদ্দাসাহ) বিশেষ পবিত্র জমিনে অবস্থিত।
এই মসজিদের আশেপাশে অনেক নবিদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। অনেক নবি হিজরত করেছেন।
এই মসজিদে অনেক নবিরা ইমামতি করেছেন। বিশেষত জাকারিয়া আ.।
মেরাজে সকল নবিগনকে আল্লাহ একত্রিত করেছিলেন কুদরতি ভাবে। এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ দুই রাকাত নামাজের ইমামতিও করেছেন।
এটি মুসলমানদের প্রথম কিবলা।
হাশরের কেন্দ্রস্থল হবে মসজিদুল আকসা ও তার আশপাশ।
এই মসজিদে প্রতি রাকাত নামাজে ২৫০ রাকাত এর সওয়াব পাওয়া যায়। কোনো বর্ণনায় ৫০০ বা আরও বেশি।
যেসব মসজিদে বিশেষ সওয়াবের আশায় সফর জায়েয, এই মসজিদ তার একটি।
এই মসজিদ ও তাঁর চতুর্পাশ বরকতময়।
এই মসজিদে দাজ্জাল প্রবেশ করতে পারবে না।
এই মসজিদে নামাজ পড়লে তার গোনাহ এমনভাবে মাফ হয়, যেমন সদ্য জন্মলাভকৃত শিশু।
তথ্যসূত্র : সুরা ইসরা, সুরা মাইদাহ, সুরা সাবা, সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম, তাবারানি, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদ, তাফসিরে কুরতুবি। বেদায়া ওয়ান নেহায়া।