ঈদুল ফিতরের ইতিহাস

 





ঈদের উৎপত্তি:

  • ঈদুল ফিতরের ইতিহাস ইসলামের প্রথম দিকে চলে যায়।
  • হিজরতের পর মদিনায় রাসুল (সাঃ) দুটি উৎসবের দিন দেখতে পান:
    • শরতের পূর্ণিমায় "নওরোজ"
    • বসন্তের পূর্ণিমায় "মেহেরজান"
  • সাহাবিদের জিজ্ঞাসাবাদে রাসুল (সাঃ) জানতে পারেন এগুলো জাহেলি যুগ থেকে প্রচলিত।
  • রাসুল (সাঃ) এই দুটি উৎসব বাতিল করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা প্রবর্তন করেন।
  • এ ঘটনাটি দ্বিতীয় হিজরি সনে (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ) ঘটে।

ঈদের নামকরণ:

  • "ঈদ" শব্দটি আরবি "আওদ" থেকে উৎকলিত।
  • "আওদ" অর্থ ঘুরে আসা, প্রত্যাবর্তন করা।
  • প্রতি বছর ঘুরে আসার কারণে একে "ঈদ" বলা হয়।
  • আরবিতে বিশেষ দিবস বা উৎসবের দিনকে "ঈদ" বলে।

ঈদের তাৎপর্য:

  • ঈদুল ফিতর রমজান মাসের রোজা শেষে আনন্দের উৎসব।
  • দীর্ঘ এক মাস আল্লাহর ইচ্ছা পালন করে রোজা রাখার পর ঈদের দিন পুরস্কার হিসেবে আনন্দ উদযাপন করা হয়।
  • ঈদের দিন সকালে ঈদের নামাজ পড়া হয়।
  • নামাজের পর একে অপরকে জড়িয়ে ধরে "ঈদ মোবারক" বলে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
  • নতুন জামাকাপড় পরে, মিষ্টি বিতরণ করে, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সাথে দেখা করে ঈদ উদযাপন করা হয়।
  • ঈদের দিন গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

ঈদের রীতিনীতি:

  • ঈদের দিন সকালে স্নান করে নতুন জামাকাপড় পরা হয়।
  • ঈদের নামাজের জন্য ঈদগাহে যাওয়া হয়।
  • নামাজের পর একে অপরকে জড়িয়ে ধরে "ঈদ মোবারক" বলে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
  • ঈদের নামাজের পর গরিবদের ফিতরা দেওয়া হয়।
  • পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধবের সাথে দেখা করে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া হয়।
  • ঈদের দিন বিভিন্ন খাবার-দাবার তৈরি করা হয়।
  • ঈদের বাজারে ঘুরে কেনাকাটা করা হয়।
  • ঈদের দিন শিশুরা নতুন জামাকাপড় ও খেলনা পায়।

ঈদের শিক্ষা:

  • ঈদের দিন আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি এর শিক্ষাগুলো গ্রহণ করা জরুরি।
  • ঈদের দিন গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করার মাধ্যমে ঈদের প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব।
  • ঈদের দিন ঈর্ষা, বিদ্বেষ, লোভ-লালসা পরিহার করে সকলের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা উচ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন